বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
বেগম মমতাজ আহমেদ আজীবন দাতা সদস্য মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ
আজীবন দাতা সদস্যের বক্তব্য
দেখতে দেখতে পার হয়ে গেল 27টি বছর। আমার স্বামী ড. রেদোয়ান আহমেদ একজন মুক্তিযোদ্ধা, শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ ও শিক্ষানুরাগী। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নামে অত্র কলেজটি প্রতিষ্ঠা করায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত। ড. রেদোয়ান আহমেদ ছাত্র জীবনে ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী এবং ন্যায় নিষ্ঠাবান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.বি (অনার্স) এলএল.এম ডিগ্রী অর্জন করেন। সাথে সাথে তরুন বয়সে ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরেই তিনি এলাকার উন্নয়নে তথা শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো সহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তিনি শিক্ষাকে সব সময়ই অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন। তাই তিনি ভাবলেন দেশ গড়ার এবং জাতির উন্নয়নের অংশীদারীত্ব লাভের জন্য নিরীহ, অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের শিক্ষার বিকল্প নেই। জ্ঞানই শক্তি। জ্ঞান মানুষকে আত্মপ্রত্যয়ী করে। তাই তিনি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ১৯৮০ সালে চান্দিনার প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠা করেন চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। পরবর্তীকালে ১৯৯৫ সালে তাঁর গ্রামের বাড়ি মহিচাইলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মরণে প্রতিষ্ঠা করেন শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ। এর পরবর্তীকালে গ্রামের নিরীহ দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে ও শিক্ষা প্রসারে ১৯৯৯ সালে মাধাইয়া অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা করেন মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ।
এছাড়াও তিনি ৮টি উচ্চ বিদ্যালয় ও বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক বৃন্দের সহায়তায় পরিচালনা পরিষদের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা, অভিজ্ঞ অধ্যক্ষ, সুযোগ্য শিক্ষক মন্ডলী ও কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি পরিচালনা পরিষদের আজীবন দাতা হিসাবে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজের ১৫তম সার্বিক সাফল্য কামনা করি এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানাই।
(বেগম মমতাজ আহমেদ)
